Saturday

Tagged under:

The Jesus : জ্ঞান গুরু

(মাজহারী শরীফ বাইবেল বলে যে জিসাস আবার পৃথিবীতে আসবেন। তো চলুন তাকে দেখে আসি তিনি কিভাবে দ্বিতীয়বার আসবেন।)

অদ্ভূদ মহাকাশযানটির ভিতর হতে লোকটি বেরিয়ে আসে। প্রশান্তির দৃষ্টিতে চারপাশে তাকায়। আহ্ , প্রাণটা জুড়িয়ে যায়। কি সি্নগ্ধ আলো। রাত্রি নিঝুম, শহরের সবাই ঘুমিয়ে আছে। আবছা আলোয় আলোকিত শহরের প্রশস্ত রাস্তাগুলি। সুউচ্চ অট্রালিকা গুলোর দিকে তাকায়- বাহ্ , কি সুন্দর মানুষের আবাসস্থল, কত উন্নত সভ্যতা। অত্যাধুনিক বিজ্ঞান প্রযুক্তিতে ভরপুর বর্তমান পৃথিবী। পৃথিবীর মানুষগুলিও এখন নিশ্চয়ই অধিক জ্ঞানী হয়েছে, নিশ্চয়ই তারা এখন খুব নম্র। বিশেষ প্রশান্তি অনুভব করে লোকটি। এমন একটি পৃথিবীইতো সে চেয়েছিল- হ্যা, মনে পড়েছে, সব ঠিকঠাক মতোই গেথে আছে স্মৃতি পটে। এই পৃথিবীর উশৃঙ্খল আর অকৃতজ্ঞ মানুষরাই তাকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। হত্যা করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিল তারা। তারা তাদের ইশ্বরের হাতে পেরেক গেথেছিল।, কিন্তু তারা জানতো না এই লোকটি এক অতি মানব, সাধারন মানুষের মত প্রচলিত নিয়মে যার জন্ম হয় নি। পৃথিবীর মানুষ জানতো না যে এই লোকটি মানব মৃতু্যর অধীন নয়, তিনি অমর, বেচে থাকবেন কোটি- কোটি বছর।

পৃথিবীর মানুষের সাথে তার সংঘর্ষ বাধে তাঁর অতি-জ্ঞান নিয়ে। মহাজ্ঞানী হওয়াই ছিল তার অপরাধ। তিনি সর্বন ভাবতেন পৃথিবীর এই মানুষদের নিয়ে, কি হবে এই অবুঝ আর বোকা প্রাণীগুলোর? এরা তো নিজেরাই হিংসা-বিদ্বেষ আর যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে একে অপরকে হত্যা করছে অথচ বুদ্ধিমান প্রাণীরাতো এটা কখনো করে না , এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মহাবিশ্ব হতে মানব সভ্যতার বিলুপ্তি ঘটবে। অথচ কত ধাপে-ধাপে, কত আলৌকিক ভাবে মানুষের সৃষ্টি হয়েছিল। জীবনের প্রথম অনু এমাইনো এসিড হতে এককোষী জীব, তারপর অসংখ্য -কোটি বিবর্তনের পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে এই মানব সভ্যতা। মানুষ যদি ধ্বংস হয়ে যায় তবে কে আর নিশ্চয়তদিবে যে পুনরায় একই প্রক্রিয়ায় আবার পৃথিবীতে মানুষ আসবে, এমন বুদ্ধিমান আর আদর্শ বৈশিষ্ট সম্পন্ন , মহাবিশ্বের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন প্রাণী যদি পুনরায় না আসে। প্রাকৃতিক বিবর্তন যদি অন্যদিকে মোড় নেয়, যেখানে সৃষ্টি হবে মানুষের মত দেখতে অথচ হিংস্র কিছু প্রাণী, যাদের থাকবে না কোন সমাজ, সভ্যতা, শিা, কোন বিবেক বোধ, তবে কি হবে? তাই যে ভাবেই হোক এই পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত হতে রা করতে হবে। তিনি সংকল্প করলেন পৃথিবীর মানুষকে শিা, চিকিসা, উন্নত প্রযুক্তি আর জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায় জ্ঞানী করে তুলবেন। মানুষ হয়ে উঠবে একে অপরের ঘনিষ্ট বন্ধু, প্রকৃত জ্ঞানী আর বুদ্ধিমান। কিন্তু এখানেই বাধে সংঘর্ষ। পৃথিবীর মানুষ জ্ঞানী হতে চাইল না, তারা পড়ে থাকতে চাইল অন্ধকারে। তখন মাত্র মুষ্টিমেয় কিছু মানুষকে তিনি অজ্ঞানতা হতে বেরিয়ে আসার পথ দেখাতে পারলেন মাত্র। যারা তাকে অনুসরন করল তারা লাভ করল পরম প্রশান্তি।

হাতে বাধা ছোট যন্ত্রটিতে একটি বোতাম চাপলেন , ধীরে-ধীরে মহাকাশযানটি শূন্যে উঠে যেতে লাগল। দৃষ্টিসীমার বাহিরে যাওয়া পর্যন্ত তিনি তাকিয়ে থাকলেন এবার দৃষ্টি ফেরালেন পিচঢালা রাসত্দায়। হাতে বাধা যন্ত্রটির ছোট স্ক্রীনে নিজের সঠিক অবস্থানটা দেখে নিলেন। চাতক পাখির মত চারপাশে তাকালেন যেন ঠিক করতে পারছেন না কোথায় যাবেন।

আলিশান দ্বিতল এক বাড়ির সামনে থামলেন তিনি। আহ্ , মনপ্রাণ জুড়িয়ে যায়। কত সভ্য, সুশৃংখল সমাজ। রাস্তার 'ুধারে সারি-সারি ঘর-বাড়ি। এই বাড়িটি তৈরী করতে কত টাকা খরচ করা হয়েছিল অনুমান করার চেষ্টা করলেন তিনি। পৃথিবীর সব সৌন্দর্য যেন এখানে এনে জড়ো করা হয়েছে। মূল ফটকের দিকে তাকালেন। বেশ কিছু বিশালাকার কুকুর আর সামরিক পোশাক পরিহিত লোক অস্ত্র হাতে ঘোরাফেরা করছে। মূল ফটকের দিকে আর এগুলেন না। সু-উচ্চ প্রাচীরের সামনে এসে দাড়ালেন, হাতের যন্ত্রটির িশেষ এক বোতাম চাপলেন। একপ্রকার রশ্মি গিয়ে আঘাত হানল প্রাচীরের গায়ে। প্রাচীর ভেদ করে প্রবেশ করলেন তিনি। সমস্ত দরজা অনায়েসেই খুলে গেল। নিরাপদে প্রবেশ করলেন তিনি। বেশ কিছু েঘুরে বেড়ালেন। মৃদু্য আলোয় প্রতিটি করে সৌন্দর্য যেন উপচে পড়ছে। প্রতিটি অনু পরমানুতে উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়া। বিমোহিত হয়ে পড়লেন তিনি। পৃথিবী এত সুন্দর হয়েছে? মানুষগুলো এখন নিশ্চয়ই খুব বুদ্ধিমান আর অতি উন্নত প্রযুক্তির অধিকারী। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন তিনি। হ্যা, এমনটিই তো তিনি চেয়েছিলেন সেই একশ কোটি বছর পূর্বে। তখন সম্ভব হলে এতদিনে মানুষ নিয়শ্চই শত কিংবা সহস্র বছর আয়ু লাভ করতো। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন এই দূর্লভ প্রযুক্তি তিনি মানব সভ্যতাকে শিখিয়ে দেবেন। শিখিয়ে দেবেন অতি উন্নত চিকিসাবিদ্যা- আহ্ , কেমন মিষ্টি সুবাস, শীতল হাওয়া বিরাজ করছে কময়। যতই দেখছেন ততোই বিমোহিত হচ্ছেন। ইশ্বরের এত সুন্দর সৃষ্টি।

এবার তিনি যে কটিতে প্রবেশ করলেন সেটি সম্পূর্ন ব্যতিক্রম। এই বাড়ির যত দামি আর দূর্লভ আসবাস পত্র সব সাজিয়ে রাখা হয়েছে এখানে। কময় বিরাজ করছে কৃত্রিম চাদের শীতল আলো। করে খাটটির দিকে তাকালেন, সেখানে পরম তৃপ্তিতে ঘুমিয়ে আছে নয় বছরের একটি মেয়ে। কি মিষ্টি মেয়ে। খাটের পাশে বসে আছে একটি যন্ত্রমানব। অপরিচিতি কাউকে দেখে রোবটটি এগিয়ে আসার চেষ্টা করল। রোবটের চোখে তাকালেন তিনি, মুহুর্তেই যন্ত্রমানবটি নিশ্চল হয়ে পড়ল। মেয়েটির পাশ এসে দাড়ালেন তিনি। মিষ্টি এক হাসি যেন সব সময় লেগেই থাকে ওর মুখে। কারো উপস্থিতি টের পেয়ে চোখ খুলল মেয়েটি। পাশের রোবটি নিশ্চল হয়ে দাড়িয়ে আছে। চোখের সামনে জলজ্যন্ত অপরিচিত মানুষ। মেয়েটির চোখমুখ ভীত হয়ে উঠল। কথা বলার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। ভীত চোখে বারবার অতিথিকে দেখছে। হঠামেয়েটি মস্তিস্কের ভেতর শুনতে পেল- কি নাম তোমার মা মনি?

চমকে উঠল মেয়েটি। সে তো শুনতে পায় না, তাহলে? অবাক হয় খুকিটি। অনুভব করল নিউরনের মধ্যে হতে শব্দমালা ভেসে আসছে। কথা বলার আপ্রাণ চেষ্টা করল, কিন্তু পারছে না। সেই মতাটুকুও যে এক বছর আগে হারিয়ে গেছে। এই অমতার কারনে দু'চোখ ভেঙ্গে পানি আসছে তার। বহুদিন পর একজন মানুষ তার সংগে কথা বলছে এবং সে শুনতে পাচ্ছে কিন্তু সে উত্তর দিতে পারছে না। ফ্যালফ্যাল করে শুধূ তাকিয়ে রইল। এত দরদ ভরা কন্ঠে কেউ বুঝি তাকে কখনো ডাকে নি,আব্বু কিংবা আম্মুও না। ব্যস্ত মা- বাবা বেশ 'দিন যাবওর েআসার সময় পাচ্ছেন না। সে জানে না কেন? এখন তার একমাত্র সংগী যন্ত্রমানবটি বহু অর্থ ব্যয় করে অর্ডার দিয়ে একে বানিয়ে আনা হয়েছে। রোবটি ওর চোখের ভাষা বুঝতে পারে এবং সেই অনুসারেই ওকে সাহায্য করে। কিন্তু সে কারো ভাষা বুঝতে পারে না, শুধু বুঝতে পারে সবার চাপা কষ্ট আর করুনার দৃষ্টি। কেউ লিখে চোখের সামনে মেলে ধরলে পড়তে পারে। কয়েক মাস র্বে হাত- পা গুলিও অচল হয়ে গেছে। ধীরে-ধীরে সে এক ভয়ংকর মৃতু্যর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

হাত দিয়ে মেয়েটির চোখের পানি মুছলেন তিনি। দরদভরা কন্ঠে বললের- তোমার নাম কি মা মনি? তুমি কাদছো কেন?
নিঃশব্দে, মনে মনে মেয়েটি উত্তর দিল- আমি মারিয়া, আনন্দে কাদছি আমি। বহুদিন পর কারো সংগে কথা বলতে পারছি, এজন্য। হোক না তা মনে মনে, নিঃশব্দে। আমি তাতেই খুশি। শুধু ঠোট দুটো কেপে উঠল ওর।
-
পৃথিবীর উন্নত চিকিসাবিদ্যা তোমাকে সুস্থ করতে পারে নি? আবার মস্তিস্কের ভেতর শুনল মারিয়া।
-
সাত বছর বয়সে আমি মটর-নিউরন রোগে আক্রান্ত্র হয়েছি। ডাক্তাররা ভবিষ্যবানী করেছেন আমি এগারো বছরের পূর্বেই মারা যাব। বিগত এক বছরের মধ্যে আমি শ্রবন শক্তি, বাক শক্তি আর শরীরের কর্মমতাও হারিয়ে ফেলেছি। এখন টিকে আছে শুধু আমার চোখ দুটো আর শরীরের কিছু অংশের অনুভূতি শক্তি। এছাড়া আমি মৃত, শুধুই জড় পদার্থ। আবার পানিতে মারিয়া চোখ দুটো ছলছল করে ওঠে। আবছা হয়ে আসছে চোখের দৃষ্টি, টপটপ করে পড়ছে চোখের পানি। তাকাল আগুন্তকের দিকে। কি নির্লিপ্ত, শান্ত, চিন্তাহীন কত পবিত্র অববয় তার। এতটা পবিত্র মানুষ সে বুঝি কখনো দেখে নি। খুটিয়ে- খুটিয়ে তাকে দেখার চেষ্টা করে।
-
কে তুমি? প্রশ্ন করে মারিয়া।
এতনে মুচকি হাসল আগুন্তক। সে হাসি যেন ছড়িয়ে পড়ল পৃথিবীময়। দোলা লাগল মারিয়ার অন্তরে। এত সুন্দর হাসি। উপভোগ করে মারিয়া।
-
ভাল করে দেখ তো মারিয়া চিনতে পার কিনা? মায়াবী কন্ঠে বলল সে।
চেনা চেনা অনুভূতি অনুভব করে মারিয়া। কিন্তু চিনতে পারে না কে এই অতিথি
-
একশো কোটি বছর পূর্বে আমি একবার এই পৃথিবীতে এসেছিলাম। বলল সে।
মারিয়া তবুও চিনতে পারে না। পানিশূন্য চোখ দুটো পিটপিট করছে। খুব অবাক হল মারিয়া- তুমি তাহলে অতীত পৃথিবীর মানুষ। কিন্তু কে তুমি?
মস্তিস্কের ভেতর শুনতে পায় মারিয়া, যেন হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূর হতে ভেসে আসছে কণ্ঠস্বরটি, সমস্ত মনোযোগ দিয়ে শোনে সে- "আমিই আলফা, আমিই ওমেগা, প্রথম এবং শেষ। আমিই সেই যে, আমার মধ্য দিয়ে না আসলে কেউ পরিত্রান পায় না।"
মারিয়া পলকহীন দৃষ্টিতে তাকায় আগুন্তকের অববয়ে। আনন্দের আতিশায্যে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে সে।

চট করে দেয়ালে টাঙনো ছবিটির দিকে তাকাল। বিশাল এক ছবি। একদম আগুন্তকের প্রতিচ্ছবি- হঁ্যা, হঁ্যা, এই তো তিনি এসেছেন। যার জন্য প্রতিটি মুহুর্ত অপোর প্রহর গুনে এই ছোট বালিকাটি এখনো বেচে আছে। তার বিশ্বাস ছিল মৃতু্যর এক সেকেন্ড পূর্বে হলেও তিনি আসবেন। মারিয়া জানে এই মহাজ্ঞানী আগুন্তকের একটি বিশেষ যোগ্যতা আছে, তিনি পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিসা বিজ্ঞানী। তিনি মহাজ্ঞানী, সর্বজ্ঞ, দ্যা গড এজ হিউম্যান ফর্ম। মারিয়ার অদৃশ্য কণ্ঠস্বর শুনতে পান তিনি- "জ্ঞানগুরু। আমি জানতাম আপনী আসবেন এমনি এক রাতে। তাইতো আমি প্রতিটি নির্ঘুম রাত টাই যদি আপনী এসে ফিরে যান।"
পরম প্রশান্তিতে ভরে ওঠে তার মন-মানুষের প্রতি মানুষের কি অসম্ভব বিশ্বাস। অবাক হন তিনি।
-
কি চাও তুমি মারিয়া? প্রশ্ন করে আগুন্তক।
-
পবিত্র পিতা, আপনার সাাত পেয়েছি এখন আমি কিছুই চাই না। আমি যেতে চাই আপনার সাথে।
এই ুদে বালিকার দ্ধি চিন্তা শক্তি দেখে মুগ্ধ হন জ্ঞানগুরু।
-
তুমি সুন্দর আগামী দেখতে চাও না? উপভোগ করতে চাও না এই সুন্দর পৃথিবী?
-
না পবিত্র পিতা। আগামী নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন নই। আপনীইতো বলেছেন- "দিনের কষ্ট দিনের জন্য যথেষ্ট, কালকের জন্য ভেব না, আগামীর চিন্তা আগামীর উপর ছেড়ে দাও।"

অদ্ভূদ দৃষ্টিতে বালিকার দিকে তাকায় আগুন্তক। পরম মমতায় একটি হাত রাখেন মারিয়ার কপালে। হাতের ুদে যন্ত্রটিতে একটি বোতাম চাপলেন, একধরনের শীতল আলোক রশ্মি মারিয়ার পুরো শরীর কিছুন আচ্ছন্ন করে রাখে। এক সময় হাত সরিয়ে নেন। স্মিত হেসে বললেন- উঠে দাড়াও মারিয়া।
মারিয়া উঠে দাড়াল- আমার ভয় হয় আপনী চলে যাবেন না তো?
মারিয়া নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারছে না, সে কথা বলতে পারছে, শুনতে পাচ্ছে, হাটতে পারছে। সব এখন স্বাভাবিক। আগুন্তকের পাশে এসে দাড়ায় মারিয়া।

আমার সব প্রযুক্তি, সব জ্ঞান আমি পৃথিবীর মানুষকে দান করে যাবো। তারা হাজার বছর আয়ু লাভ করবে আর সুস্থ নিরোগ দেহ নিয়ে ছুটে বেড়াবে গ্রহ হতে গ্রহান্তরে। মহাশুন্যের আনাচে-কানাচে গড়ে তুলবে মানুষের কলোনী। জয় করবে বিশ্বভ্রক্ষ্মান্ড আর আহরোন করবে মহাবিশ্বের অনন্ত সমৃদ্ধ জ্ঞান, যার উপর ভিত্তি করে টিকে আছে মহাবিশ্ব তার প্রাণ। মনে মনে এসব ভাবেন আগুন্তক। আবার তাকান বালিকাটির দিকে। মারিয়া এক দৃষ্টে তাকে দেখছে। দেখছে মহাবিশ্বের সবচেয়ে পবিত্র আর মহাজ্ঞানী মানুষ মহামতি জিসাস'কে। 

0 Comments: