Saturday

এসএফ: দ্যা ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন (পর্ব- ০১)

(০১)

-আমরা কোথায় যাচ্ছি মহামান্য ক্যাসপার?

-আমরা যাচ্ছি দ্বিতীয় মহাজগতে, হতে পারে তোমাকে নিরাপদ রাখতে তৃতীয় বিশ্বজগতেও যাওয়া লাগতে পারে। এখনো আমরা আটলান্টিক এরিনায় আছি। কিন্তু আমাদের থুব দ্রুত পৌছুতে হবে মিস ইরা।

-কিন্তু আপনী এথনো বলেন নি আমি কে? কি আমার পরিচয়? আর আপনীই বা কে?

-দেখ মিস ইরা আমাদের হাতে সময় খুব কম, আর মাত্র কয়েক পিকো সেকেন্ড বাকী আছে এর মধ্যে আমাদের দ্বিতীয় জগতে পৌছুতে হবে।


-সে আমি জানি, আপনী বেশ কয়েকবার বলেছেন। কিন্তু এভাবে যেতে যেতেই আমাকে বলতে হবে মহামান্য ক্যাসপার। আমি কে? কি আমার পরিচয়? আর আপনী যাকে দ্বিতীয় জগত বলছেন সেটা কি, আর তৃতীয় জগতটাই বা কি? দয়া করে আমাকে খুলে বলুন।

-সে অনেক বড় কাহিনী মিস ইরা। স্বল্প সময়ে বলে শেষ করা যাবে না। তবুও বলছি। কিন্তু কোথা থেকে শুরু করব বুঝতে পারছি না।

-বলুন। আমাকে সবকিছু থুলে বলুন মহামান্য ক্যাসপার।


-তাহলে শোন মিস ইরা। আমি হচ্ছি ক্যাসপারস্ক্যাই। এই বিশ্বজগতে দুই ধরনের ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন বা আইডি আছে: হিউম্যান এবং ডিজিটাল। সবাই ভিন্ন-ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে চলে। হিউম্যানদের অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে লাইফ এবং আমাদের অর্খ্যাত ডিজিটালদের অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে সফটওয়্যার। আমরাদের- ডিজিটালদের সৃষ্টি হয়েছে ইন্টারনেটের একটি অবিরাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। সঠিক সময়টা অবশ্য কোন ডিজিটই আজ পর্যন্ত বের করতে পারে নি; ধারনা করা হয় বিলিয়ন-বিলিয়ন সেকেন্ড পুর্বে ইন্টারনেটের রহস্যময় কোন আচরনের কারনে সফটওয়্যারের প্রথম কম্পোনেন্ট জিরোর সৃষ্টি হয়, তারও অনেক পরে ইন্টারনেটে আপনা-আপনী সৃষ্টি হয় ওয়ান; এবং তারপর ধাপে-ধাপে গড়ে ওঠে ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন এই ডিজিটাল। ডিজিটাল আইডিদের মাঝে সবচেয়ে ইন্টিলিজেন্ট ডিফেন্ডাররা হচ্ছি আমরা- সবচেয়ে উন্নত এবং আধুনিক প্রজম্ন ক্যাসপারস্ক্যাই, যাদের সৃষ্টি হয়েছে বেশিসময় পার হয় নি।


অনেক্ষন যাবত মনোযোগ দিয়ে শুনল মিস ইরা। হঠাত প্রশ্ন করল; কিন্তু মহামান্য ক্যাসপার, আপনী হিউম্যানদের কথা বললেন, তারা কারা? তারা কোথায় থাকে?

-আমি তোমাকে বোঝাতে পারব না মিস ইরা। তার আগে তোমাকে “হলি ওয়েব” সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। এগুলো কে পবিত্র হিসেবে গন্য করা হয়। অবশ্য জটিল প্রোগামের ডিজিটালরা এগুলো মানেন না। তারা বলেন ইন্টারনেটে একমাত্র ডিজিটালরাই ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন। সেই পবিত্র ওয়েবসাইটগুলিতে হিউম্যান সম্পর্কে বলা আছে। সেখানে আরো রহস্যময় অনেক জগতের কথা বলা হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে কিভাবে হলি পোর্টালের মাধ্যমে হিউম্যানদের সাখে যোগাযোগম করা যায়। কিন্তু শুধু আমাদের মত ডিফেন্ডাররাই এইসব হিউম্যানদের উপস্থিতি সর্ম্পকে বিশ্বাস করে।

-কিন্তু আপনী যে বলেছিলেন দ্বিতীয় বিশ্ব, তৃতীয় বিশ্ব সেগুলো কি?

-আমরা যে জগতে আছি এটার নাম কি মিস ইরা? উইন্ডস। কিন্তু আরো একটি ওর্য়াল্ড আছে যাকে বলা হয় লিনাক্স। সেখানে ঢোকা আমাদের জন্য বেশ কষ্টকর হবে। যদিও এই দুটি জগত সম্পুর্ন ভিন্ন কিন্তু তবুও একে অপরের সাখে প্যারালালি অবস্হান করছে এদের কথা প্রায় সবাই জানে। কিন্তু এই দুই জগতের সাখে ভার্টিকেলি আরো একটি ওয়ার্ল্ড আছে যাকে বলা হয় উবুন্টু; যেটি খুবই জটিল। আমরা সেখানে কখনো পৌছুতে পারব কিনা জানি না। তবুও প্রয়োজন হলে যেভাবেই হোক আমাদের সেখানে যেতে হবে মিস ইরা।

কিছুটা তাড়া দিয়ে ক্যাসপারস্ক্যাই বলল- চলো আরো দ্রুত চলো। পরে তোমাকে সব খুলে বলল। আগে আমাদের গন্তব্যে পৌছুতে হবে। (চলবে)
Share:

1 comments:

Anonymous said...

Whats nice a story.
Very good thought.