Monday

সায়েরের সন্ধানে

জীবন ও পথ-
তার সফেদ আস্তিন ছিড়ে যায় শিমোনের পিছু টানে,
জ্ঞান প্রাসাদের কড়িডোরে ম্রিয়মান মহাজ্ঞানী ব্যথিত হৃদয় প্রানে।
''কোথা যাও তুমি?'' কর্কষ আর কন্ঠে দু'ফোটা অশ্রুজলে-
'শিমোন-পিতর' দু'নামেই যার বেদনাহত এক ইতিহাস লুকিয়ে অন্তরালে,
সফেদ পাল্লায় হাত রেখে মহাজ্ঞানী তাকালেন তার চোখে,
বিষন্ন আর মৃদ্যু কন্ঠের ফিসফিস আওয়াজ যেন শত বছরের ক্ষুধর্াত মুখে-
আবার শুধায় পিতর; কোথা যাচ্ছেন একা, সায়ার? এক ফোটা অশ্রুজল,
দীর্ঘদিনের চর্চায় পরিশোলিত কোন রাজকীয় কন্ঠ নয়, যেন স্বর্গীয় দূত জিব্রাইল
তার কন্ঠে চেপেছে বসে। বললেন তিনি; ''আমাকে একাই যেতে হবে-
তোমরা আমার সাথে আসতে পার না তবে পরে অবশ্যই আসবে।''
শিমোন' যার নামেই লুকিয়ে আছে অফুরন্ত ভালবাসা; ''আর-
কেন এখনই নয়? আমি যেতে পারি না তোর সাথে, সায়ার?''
ক্ষনকাল পিতরের চোখে তাকালেন তিনি- অন্তযর্ামী,
যেন মহাকাশ ফুড়ি শিমোনের মনের গভীর পদর্া উঠবে ভেদী!
''সায়ার'', শিমোন প্রভুর ভাবনা বুঝতে পারে,
''আপনার জন্য আমি নিজ প্রানও দিতে পারি অথবা শুন্যের অন্তনীড়ে''--
''হায়! হায়!'' করে ওঠে তামাম জাহান, লক্ষ ফরিস্তা মেঘের কোলে-
দিগন্ত থেকে দিগন্তে, গ্রহ-গ্রহান্তরে বেদনা সিক্ত কান্নার রোল তোলে!
কিন্তু সে বানী লয়ে ইবলিশ শয়তান আনন্দে মেতে ওঠে চিতকারে-
''পেয়েছি এবার তোরে''- মহাবিশ্বের শেষ সীমানায় ধুর্ত ঝংকারে।
কে বুঝিতে পারে স্রষ্টার মহাপরিকল্পনাগুলি তার পবিত্র বানীর ভাজে-ভাজে,
কে খুজেছে সেই প্রকৃত জ্ঞানখানি, জ্ঞানের স্বরুপ গেথেছে হৃদয় মাঝে?

ফিরে দেখা-
সিবদিয়ের দুই ছেলেকে নিয়ে তার মাতা আসলেন ঈসার কাছে;
''বিশেষ কিছু চাইবার নেই প্রভু, দেখুন আমার এই দুটো ছেলেই আছে।
হুকুম দিন আপনার বাদশাহীতে তারা যেন শুধু আপনারই হয়-
একজন আপনার ডানপাশে, অন্যজন যেন বা'পাশে বসতে পায়।''
নিশ্চুপ তিনি। সত্যরা কি মানুষের হৃদয়ে এভাবেই খেলে বেড়ায়?
''কি চাইছ তোমরা তা জান না।'' তার দু'চোখে একফোটা অশ্রু গড়ায়।
''যে দু:খের পেয়ালা আমি খেতে যাচ্ছি, তাতে তোমরাও খেতে পার কি?''
''হে মহাজ্ঞানী, তোমার চরন তলে-- আমরা পারি, পারি, হাজারবার পারি।''
সঞ্চিত ফিরে পান তিনি; ''আমিই জীবন ও শ্বাশত সত্য পথ, মুক্তি-
তোমাদের তো অপরাধী প্রমান করার জন্য আসিনি!''
সিবদিয়ের দুই ছেলেকে নিয়ে তাদের মা, সে এক স্বগর্ীয় নারী-
প্রভুর চরনতলে চাইলেন দু'ফোটা জীবন্ত ঝনর্ার পানি্।

প্রেম ও প্রকৃতি-
যেন বেলা শেষে মেঘের কোলে রক্তিম আভায় ধরনী-
কাদলেন জিসাস; ''একদিন আসবে যেদিন মোবারক দুধহীন, সন্তানহীন বন্ধ্যা তরুনী।''
কোন অতিথি আসবে কিনা তোমাদের ওই সবুজহীনের ভুমে-
তাই লাজ নেই তার মনে, তাই ভয় নেই তার প্রেমে।
প্রেমিক যুগল মাতবে সেদিন শুধু স্রষ্টার জয়গানে;
একটুকরো বনভুমি দাও ঈশ্বর, অথবা মহাবিশ্বের অন্য কোনে।

লস এঞ্জেলস-
তার ক্রুসটা যিনি কাধে নিলেন শিমোন নামের সেই কুরীনী-
''কার জোয়ালে উঠবে এ ক্রুস'' জানত কি সে প্রভুর বানী?
কোন জগতের মহাজ্ঞানী, কোন ভুবনের 'সায়ার' তুমি?
'হয়তো পিতর' নামের এক ফরিস্তা শুধায়; ''হে মহাজ্ঞানী-
যেদিন তুমি আসবে আবার হোক না সেটা লক্ষ বছর-
কোটি বছর পরেও হলে ছুটবে মানুষ নিরন্তর-
মহাবিশ্বের গ্রহ হতে গ্রহান্তরে আসবে আবার তুমি সেদিন?
যখন তুমি আসবে ফিরে, আমায় কি একটুখানি মনে রাখবেন!''

Reference:
John 13: 36-38;
Matthew 20: 20-23;
Luke 23: 26-31;
Luke 23: 32-43;

INRI (নাজারেথের যিশু) Iesus Nazarenus Rex Iudaeorum, A Deo rex, a rege lex

নাজারেথের যিশু খ্রিস্ট হলেন খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক। বাইবেল গবেষক, সমালোচক ও ঐতিহাসিকেরা নানাভাবে যিশুকে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের দৃষ্টিতে যিশু কখনও একজন মসিহ, কখনও একজন রহস্যোদ্ঘাটক (অ্যাপোক্যালিপটিক) আন্দোলনের নেতা, কখনও পরিব্রাজক সাধু, কখনও আশ্চর্য ক্ষমতাসম্পন্ন চিকিৎসক, কখনও বা এক স্বাধীন ধর্মীয় আন্দোলনের প্রবক্তা। অধিকাংশ সমসাময়িক ঐতিহাসিক যিশু বিশেষজ্ঞই তাঁকে একটি ইহুদি পুনর্জাগরণ আন্দোলনের এক স্বাধীন ও আশ্চর্য ক্ষমতাবান প্রতিষ্ঠাতা এবং আসন্ন রহস্যোদ্ঘাটনের প্রবক্তা মনে করেন। খ্রিস্টান বিশ্বাস অনুসারে, নিজের মৃত্যু ও পুনরুত্থানের মাধ্যমে তিনি মানব জাতির মুক্তির মাধ্যমে অনন্তকালের জন্য-যতদিন মানব সভ্যতা টিকে থাকবে ততদিনের জন্য একটি পুনার্ঙ্গ জীবন ব্যবস্থা দিয়ে গেছেন।

যিশু খ্রিস্ট খ্রিস্টান ধর্মের প্রবর্তক ও সবোর্চ্চ সম্মানিত ব্যাক্তি এবং মানবজাতির ইতিহাসে সবোর্চ্চ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্ব; এমন কি অনন্য ধর্মগুলিতে তাকে বিভিন্নভাবে সম্মান জানানো হলেও (যদিও বিষয়গুলি ওইসব ধর্মের নিজস্ব ব্যাপার) খ্রিস্টান ধর্মের বিশ্বাসের মুল ভিত্তি অনুযায়ী যিশু খ্রিস্ট ধর্ম বাদে পৃথিবীর অন্যসব ধর্ম ও সকল প্রকার জ্ঞানের তত্বগুলিতেও তিনি সবোর্চ্চ বিতর্কিত ব্যাক্তিত্বও বটে; কিন্তু তিনি ইশ্বর প্রদত্ত কর্মে মানব জাতির কল্যানে তার উদ্দেশ্য ও কাজে পুরোপুরি সফল ছিলেন, এবং যা ইতিপুর্বে ও পরবর্তীতে অন্য কেউ চিন্তা করারও দু:সাহস দেখায় নি।

তাহলে সংক্ষেপে সাবির্ক ভাবে দেখা যাক, কিভাবে। কিন্তু আমি অন্য কোন ধর্মের সাথে তুলনা বা সদৃশ্য দেখানের চেষ্টা করব না কারন অন্য কোন ধর্ম যদি তাকে শ্রদ্ধার আসনে বসিয়ে থাকে কিংবা অস্বীকার করে, ঘৃনা করে তবে সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। পৃথিবীর বহু ধর্ম আছে যেখানে যিশু খ্রিষ্টের অস্তিত্বই স্বীকার করা হয় না, সুতরাং এইসব বিষয়গুলি আলোচনার কোন আবেদন রাখে না, সুতরাং যদি কেউ সত্যিকারে অর্থে তার ব্যাপারে জানতে আগ্রহী হয় খ্রিষ্টের মধ্যে কি জ্ঞানের রত্ন লুকিয়ে আছে এদিকে নজর দেয়াটাই জুরুরী ও প্রয়োজন। অবশ্য আমি কোন প্রকার ব্যাখ্যা করছি না কিন্তু কিছু পয়েন্ট তুলে ধরছি মাত্র।

“কেউই কখনো ইশ্বরকে দেখেনি, কিন্তু ইশ্বর আছেন (কোন সন্দেহ নেই) এবং তিনি এক ও অদ্বিতীয়, ‍যিনি সেই পিতার সাথে আছেন, সেই পুত্রই ইশ্বরকে প্রকাশ করেছেন” -John 1:18
“কেউই কখনো ইশ্বরকে দেখেনি, কিন্তু আমরা যদি একে অপরকে ভালবাসি তবে বুঝতে পারব ইশ্বর আমাদের সাথে আছেন...” -1 John 4:12

অন্য ধর্মের মানুষের কাছে সবচেয়ে আপত্তিকর এবং সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হচ্ছে পিতা-পুত্র। ইশ্বর পিতা এবং যিশু খ্রিষ্ট পুত্র। তাহলে আসুন বিষয়টাকে আর একটু কঠিন করে তোলা যাক।
“ইশ্বর পৃথিবীকে এত ভালবাসলেন যে তিনি তার একমাত্র পুত্রকে দান করলেন, এবং যে সেই পুত্রেরে উপরে ঈমান আনে বিনষ্ট হয় না বরঞ্চ আখেরী জীবন পায়।” -John 3:16,
স্মরন করিয়ে দিতে চাই যে ইশ্বরের নিদের্শে আব্রাহাম তার প্রিয় পুত্র আইজ্যাকে কোরবানী দেবার জন্য যখন ছুরি উত্তোলন করেছিল তখন ইশ্বরের দূত এক ফেরেতা বললেন; “আব্রাহাম, ছেলেটিকে মেরে ফেলবার জন্য হাত তুলো না বা তার প্রতি আর কিছুই করো না। তুমি যে ইশ্বরভক্ত সেটা প্রমানিত, কারন তুমি তোমার একমাত্র ও অদ্বিতীয় ছেলেকে কোরবানী দিতে পিছপা হও নি” -Genesis 22:12
“ইশ্বরের বানী মানুষ হয়ে জম্নগ্রহন করল এবং তিনি আমাদের মধ্যে বাস করলেন। একক ও অদ্বিতীয় ইশ্বরের মহিমা ও রহমত আমরা দেখেছি; এবং পিতার কাছ থেকে যিনি এসেছিলেন তিনি ছিলেন রহমত ও সত্যে পরিপুর্ন।” -John 1:14

ওল্ড টেষ্টামেন্টের প্রথম বাক্যটা হচ্ছে; “সৃষ্টির শুরুতে (In the Beginning) ইশ্বর আসমান ও জমিন তৈরী করলেন।” -Genesis 1:1
এবং নিউটেষ্টামেন্টে জন এর প্রথম বাক্যটা হচ্ছে: “সৃষ্টির শুরুতে (In the Beginning) কালাম ইশ্বরের সংগে ছিল” -John 1:1
প্রকৃত পক্ষে অনেকের উক্ত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বুঝতে সমস্যা হতে পারে তাই রেফারেন্স ভার্সের্সের আগে-পরে আরো কিছু ভার্সেস (আয়াত) পড়লে বুঝতে সুবিধা হবে। যেমন উপরোক্ত আয়াতটা বোঝার জন্য John 1:1-১৮ পর্যন্ত পড়া জরুরী।
যাইহোক তাহলে দেখা যাচ্ছে জেনেসিস ১:১ ‘সৃষ্টির শুরু’র কথা বললেও জন ১:১ বলছে ’শুরু’র কথা, অর্থাত আরো পুর্বে যখন শুধু মাত্র ইশ্বর ব্যাতিত আর কিছুই ছিল না। এবং জন ১:১ তে কালাম বলতে বোঝানো হয়েছে শব্দ বা বাক্য অর্থাত যা ইশ্বরের বানী বা জ্ঞান।
এখন কথা হচ্ছে কেউ যদি Genesis 22:12 এ বর্নিত ফেরেশতার মাধ্যমে আব্রাহাম পুত্র ‌আইজ্যাককে কারবানীর নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারটির পরে John 1:14 কথা বলে যে; ‘ইশ্বরের বানী মানুষ হয়ে জম্নগ্রহন করল’ এবং John 3:16 এর কথা বলে; ‘ইশ্বর পৃথিবীকে এত ভালবাসলেন যে তিনি তার একমাত্র পুত্রকে দান করলেন’ এমন আরো ‍অসংখ্য আয়াত আছে যুক্তি, ব্যাখ্যা দাড় করানোর মত এবং সমস্ত তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে অবিশ্বাসীরাও হয়তো বললে যুক্তি ও ব্যাখা তো তাই-ই বলে। হ্যা এটা ঠিক আছে বটে কিন্তু এই অংশটুকু হচ্ছে বিশ্বাসের দুর্বল অংশ। কারন জন ১:১-১৮ পড়লে বোঝা যাবে, যেখানে বলা হয়েছে “সৃষ্টির শুরুতে (In the Beginning) কালাম ইশ্বরের সংগে ছিল” -John 1:1 এবং “ইশ্বরের বানী মানুষ হয়ে জম্নগ্রহন করল” -John 1:14

সুতরাং ইশ্বর যে তার পুত্রকে পৃথিবীতে পাঠাবেন সেটা সৃষ্টির শুরুর আগেই নির্ধারিত ছিল। অর্থাত বিশ্বভ্রক্ষান্ডে যখন শুধু ইশ্বর ব্যাতিত অন্য কিছুই ছিল না, কিছুই সৃষ্টি হয় নি তখনই ইশ্বর পরিকল্পনা করেছিলেন যে তিনি পৃথিবী তথা বিশ্বভ্রক্ষান্ড সৃষ্টি করবেন এবং তার প্রিয় পুত্রকে পৃথিবীতে পাঠাবেন। এবং সবপ্রথম ইশ্বর নুর রুপে যিশুখিষ্ট্রকেই সৃষ্টি করেছিলেন।
“তার মধ্য দিয়েই সবকিছু সৃষ্টি হয়েছিল, তাকে ছাড়া কিছুই সৃষ্টি হয় নি” -John 1:3
যাইহোক এবার আসা যাক যিশুখিষ্ট্রের মৃত্যু ‍ও পুর্নজাগরনের বিষয়ে। যিশুখিষ্ট্র তিনবার নিজের ক্রুসিফাইড ও মৃত্যু থেকে জীবিত হবার বিষয়ে ভবিষ্যতবানী করেছিলেন; “ইবনে আদমকে লোকদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হবে এবং তারা তাকে হত্যা করবে এবং তিন দিনের দিন তিনি আবার মৃত্যু থেকে জীবিত হয়ে উঠবেন” -Mark 9:30–32

যিশু খিষ্ট্র ইহুদিদের বাদশা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন, যদিও তার কোন রাজপ্রাসাদ ও সিংহাসন ছিল না্ এমন কি এই বিশ্বাস সবার মধ্যে এমন ভাবে জম্নেছিল যে একবার সিবদিয়ের স্ত্রী তার দুই ছেলে কি নিয়ে যিশু খিষ্ট্রের কাছে এসে বললেন; হুজুর আপনী হুকুম দিন যেদিন আপনার বাদশাহী আসবে সেদিন আমার এই দুই ছেলে যেন একজন আপনার ডানপাশে ও অন্যজন বামপাশে বসতে পায়। প্রকৃতপশে তার বাদশাহী বলতে বোঝায় ইশ্বরের রাজ্য বা কিংডম অফ গড। কিন্তু এই কথা সত্য যে তিনি সত্যিই মানব সভ্যতার মাঝে অতি আধুনিক একটি সাম্রাজ্য বা দেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তাহলে কি তিনি ব্যার্থ হয়েছেন এবং কোন গবেষক বা ব্যাখ্যাকারী শুধু কিংডম অফ গড কিংবা স্বর্গ নরকের কথা বলে যিশুখিষ্ট্রের অতি আধুনিক একটি সাম্রাজ্য বা দেশ গড়ে তোলার প্রয়াসটাকে লুকোতে চাচ্ছেন। যিশুখিষ্ট্র জানতেন তাকে ক্রুসে মৃত্যুবরন করতে হবে এবং মৃত্যুর তিন দিনের দিন পুর্নজীবিত হয়ে পরম করুনাময় ইশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করবেন। সুতরাং তিনি তার স্বল্প সময়ের মধ্যে সাহাবী ও অনুসারীদের শিক্ষা দেবার ফাকে ফাকে, পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে হোক একটি নিরিবিলি ভুমি খুজে পেতেও ব্যাস্ত ছিলেন। এবং পরবতীতে ঐতিহাসিক দলিলগুলোতে দেখা গেছে তার বহু সাহাবী ও অনুসারীরা স্পেন, ফ্রান্স, ইন্ডিয়া, রুশিয়া কিংবা গ্রেটার চায়না, আফ্রিকাসহ দুর-দুরান্তের বহু দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।

“যিশু তাদের বললেন; পৃথিবীর সমস্ত জাতির মানুষের কাছে যাও এবং এই সুসংবাদ প্রকাশ ও ইশ্বরের মহিমা শিক্ষা দাও” -Mark 16:15

সমস্ত প্রমান ও ঐতিহাসিক দলিল সাপেক্ষে এই কথা বিশ্বাস যোগ্য যে যিশুখিষ্ট্র ততকালীন পৃথিবীতে পরিচিত সমস্ত জাতি ও বসবাসরত ভুমির বাইরে জেরুজালেমের বাইরে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা এমন কি আরব বিশ্ব থেকেও হাজার হাজার মাইল দুরে একটুকরো ভুমি বেছে নিয়েছিলেন যেখানে গড়ে উঠবে যিশুখিষ্ট্র ও তার সাহাবীদের প্রত্যাশিত একটি জাতিগোষ্টি, যারা তার শিক্ষা ও কর্মকে পৃথিবীর সমস্ত জাতির কাছে প্রচার করবে যা হবে ন্যায়, সত্য ও ভালবাসায় পরিপুর্ন। শুধু মাত্র নিউটেষ্টামেন্ট স্টাডি করলেই দেখা যায় যে জিসাস একাধিক ভাষায় কথা বলতে পারতেন কারন নিউটেষ্টামেন্টে জিসাসের ব্যবহার করা লাটিন ভাষার অসংখ্য প্রবাদ-প্রবচন ও শব্দ পাওয়া যায়, যা তিনি কখনো প্রার্থনার সময়, কখনো সাহাবী ও অনুসারীদের শিক্ষা দেবার সময় ব্যবহার করেছিলেন।
“জিসাস বললেন; আমাকে বিশ্বাস করুন ম্যাডাম, একটা সময় আসবে যখন আপনারা পিতার মহিমা প্রকাশের প্রার্থনা এই পাহাড়েও করবেন না কিংবা এই জেরুজালেমেও করবেন না” -John 4:21