Monday

Tagged under: , , , , , ,

বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট চার্চের সানডে লেকচার [২৪ মার্চ ২০১৩]

সবাইকে ইম্মানুয়েল। আজ পাম সানডে, বিশেষ একটি দিন। আমি দেখতে পাচ্ছি আজ গির্জা ঘর পরিপুর্ন হয়ে গেছে। আমি দেখতে পাচ্ছি সানডে স্কুলের কিছু বাচ্চারাও এসেছেসবাইকে খ্রিস্ট্রিয় শুভেচ্ছা। ইশ্বরকে ধন্যবাদ আজ পর্যন্ত তিনি আমাদের সুস্থ রেখেছেন এবং এখানে আসার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমি স্মরন করছি আমাদের সদ্য প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানকে। গতকাল টর্নেডো ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ গুলি দ্রুত ক্ষতি কাটিয়ে উঠুক। ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারী আজকের দিনের মতই একটি বিশেষ দিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ফিরলেন। লক্ষ লক্ষ মানুষ জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে তাকে স্বাগত জানাল। লূক লিখিত সুসংবাদের ১৯ অধ্যায়ের ২৮ থেকে ৪৮ পদে আমরা দেখতে পা আজকের দিনে আমাদের রাজা যিশু ্রিষ্টও তার প্রিয় শহর জেরুজালেমে আসলেন অগনিত জনতা হোশান্না ধ্বনিতে তাকে স্বাগত জানাল। তাকে বহন করে নিয়ে যাবার জন্য একটি গাধার বাচ্চা নে দেওয়া হল এবং রমনীরা তার পথে নিজেদের চাদর বিছিয়ে দিচ্ছিল। এইভাবে যীশু যিরূজালেমের কাছে এসে যে রাস্তাটা জৈতুন পাহাড় থেকে নেমে গেছে সেই রাস্তায় আসলেন। যীশুর সংগে তাঁর অনেক শিষ্য ছিলেন। সেই শিষ্যেরা তাঁর যে সব আশ্চর্য কাজ দেখেছিলেন সেগুলোর জন্য আনন্দে চিৎকার করে ঈশ্বরের গৌরব করে বলতে লাগলেন, “প্রভুর নামে যে রাজা আসছেন তাঁর গৌরব হোক! স্বর্গেই শান্তি, আর সেখানে ঈশ্বরের মহিমা প্রকাশিত।” ভিড়ের মধ্য থেকে কয়েকজন ফরীশী যীশুকে বললেন, “গুরু, আপনার শিষ্যদের চুপ করতে বলুন।” যীশু তাঁদের বললেন, “আমি আপনাদের বলছি, এরা যদি চুপ করে থাকে তবে পাথরগুলো চেঁচিয়ে উঠবে।” তাঁরা যখন যিরূজালেমের কাছে আসলেন তখন যীশু শহরটা দেখে কাঁদলেন। তিনি বললেন, “হায়, শান্তি পাবার জন্য যা দরকার, তুমি, হ্যাঁ তুমি যদি আজ তা বুঝতে পারতে! কিন্তু এখন তা তোমার চোখের আড়ালে রয়েছে। এমন সময় তোমার আসবে যখন শত্রুরা তোমার বিরুদ্ধে বাধার দেয়াল তুলবে এবং তোমাকে ঘিরে রাখবে ও সমস্ত দিক থেকে তোমাকে চেপে ধরবে। তারা তোমাকে ও তোমার ভিতরের সমস্ত লোকদের ধরে মাটিতে আছাড় মারবে এবং একটা পাথরের উপরে আর একটা পাথর রাখবে না, কারণ ঈশ্বর যে সময়ে তোমার দিকে মনোযোগ দিয়েছিলেন সেই সময়টা তুমি চিনে নাও নি।” এর পরে যীশু উপাসনা-ঘরে ঢুকে ব্যবসায়ীদের তাড়িয়ে দিলেন। তিনি সেই ব্যবসায়ীদের বললেন, “পবিত্র শাস্ত্রে লেখা আছে, ‘আমার ঘর প্রার্থনার ঘর হবে,’ কিন্তু তোমরা তা ডাকাতের আড্ডাখানা করে তুলেছ।” যীশু প্রত্যেক দিনই উপাসনা-ঘরে গিয়ে শিক্ষা দিতে লাগলেন। প্রধান পুরোহিতেরা, ধর্ম-শিক্ষকেরা এবং লোকদের নেতারা তাঁকে মেরে ফেলতে চাইলেন, কিন্তু কিভাবে তা করবেন তার কোন উপায় তাঁরা খুঁজে পেলেন না, কারণ লোকেরা মন দিয়ে তাঁর প্রত্যেকটি কথা শুনত। যিশু দেখলেন মানুষ উপাসনার ঘরকে ব্যবসার আস্তানা বানিয়েছে। তিনি জেরুজালেম শহর দেকে কাদলেন যে শহর স্থাপন করেছিলেন যিশু খ্রিস্টের মাতামহের দিক থেকে পুর্বপুরুষ দাউদ রাজা। যিশু খ্রিস্ট জেরুজালেমে আসলেন এবং কাদলেন। তিনি জানতেন ইশ্বর কর্তৃক নিয়োজিত কাজে তার দায়িত্ব প্রায় শেষের দিকে। অগনিত জনতা তাকে দেখতে পেয়ে হোশান্না ধ্বনিতে জেরুজালেমের আকাশ বাতাস মুখরিত করছে কিন্তু কিছুদিন পরে পরিস্থিতি পাল্টে যাবে, লোকজন বলবে একে [যিশু] ক্রুশে দাও, কে ক্রুশে দাও। যিশু জেরুজালেম শহর দেখলেন, তার োখে মুখে কান্না ফুটে উঠল এবং কাদলেন। যিশু নিজেকে কোরবানি দেবার জন্য প্রস্তুত হলেন। মানব জাতির পাপের জন্য,আমাদের পাপের জন্য, আমাদের মুক্তির জন্য প্রভু যিশু ক্রুশে জীবন দিলেন। জাগতিক ও পরৌকিক দুনিয়ার মুক্তির জন্য কোন পশু কোরবানী দেবার প্রয়োজন নেই কারন প্রভু যিশু যিনি ছিলেন জীবন্ত ইশ্বর বাক্য তিনি নিজেই কোরবানী হয়েছেন আমাদের মুক্তির জন্য। আসুন আমরা প্রভু যিশুর দেওয়া জীবন ব্যবস্থা অনুসারে আম‍াদের জীবন পরিচালিত করি। 
আমেন। 


এই সব কথা বলবার পরে যীশু তাঁদের আগে আগে যিরূশালেমের দিকে চললেন।
যখন তিনি জৈতুন পাহাড়ের গায়ে বৈৎফগী ও বৈথনিয়া গ্রামের কাছে আসলেন তখন তাঁর দু’জন শিষ্যকে এই বলে পাঠিয়ে দিলেন,
“তোমরা সামনের ঐ গ্রামে যাও। সেখানে ঢুকবার সময় দেখতে পাবে একটা গাধার বাচ্চা বাঁধা আছে। ওর উপরে কেউ কখনও চড়ে নি। ওটা খুলে এখানে নিয়ে এস।
যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, ‘কেন ওটা খুলছ?’ তবে বোলো, ‘প্রভুর দরকার আছে।’”
যে শিষ্যদের পাঠানো হয়েছিল তাঁরা গিয়ে যীশুর কথামতই সব কিছু দেখতে পেলেন।
তাঁরা যখন সেই বাচ্চাটা খুলছিলেন তখন মালিকেরা তাঁদের জিজ্ঞাসা করল, “তোমরা বাচ্চাটা খুলছ কেন?”
তাঁরা বললেন, “প্রভুর দরকার আছে।”
তারপর শিষ্যেরা সেই গাধার বাচ্চাটা যীশুর কাছে আনলেন এবং তার উপরে তাঁদের গায়ের চাদর পেতে দিয়ে যীশুকে বসালেন।
তিনি যখন যাচ্ছিলেন তখন লোকেরা নিজেদের গায়ের চাদর পথে বিছিয়ে দিতে লাগল।
এইভাবে যীশু যিরূশালেমের কাছে এসে যে রাস্তাটা জৈতুন পাহাড় থেকে নেমে গেছে সেই রাস্তায় আসলেন। যীশুর সংগে তাঁর অনেক শিষ্য ছিলেন। সেই শিষ্যেরা তাঁর যে সব আশ্চর্য কাজ দেখেছিলেন সেগুলোর জন্য আনন্দে চিৎকার করে ঈশ্বরের গৌরব করে বলতে লাগলেন,
“প্রভুর নামে যে রাজা আসছেন তাঁর গৌরব হোক! স্বর্গেই শান্তি, আর সেখানে ঈশ্বরের মহিমা প্রকাশিত।”
ভিড়ের মধ্য থেকে কয়েকজন ফরীশী যীশুকে বললেন, “গুরু, আপনার শিষ্যদের চুপ করতে বলুন।”
যীশু তাঁদের বললেন, “আমি আপনাদের বলছি, এরা যদি চুপ করে থাকে তবে পাথরগুলো চেঁচিয়ে উঠবে।”
তাঁরা যখন যিরূশালেমের কাছে আসলেন তখন যীশু শহরটা দেখে কাঁদলেন।
তিনি বললেন, “হায়, শান্তি পাবার জন্য যা দরকার, তুমি, হ্যাঁ তুমি যদি আজ তা বুঝতে পারতে! কিন্তু এখন তা তোমার চোখের আড়ালে রয়েছে।
এমন সময় তোমার আসবে যখন শত্রুরা তোমার বিরুদ্ধে বাধার দেয়াল তুলবে এবং তোমাকে ঘিরে রাখবে ও সমস্ত দিক থেকে তোমাকে চেপে ধরবে।
তারা তোমাকে ও তোমার ভিতরের সমস্ত লোকদের ধরে মাটিতে আছাড় মারবে এবং একটা পাথরের উপরে আর একটা পাথর রাখবে না, কারণ ঈশ্বর যে সময়ে তোমার দিকে মনোযোগ দিয়েছিলেন সেই সময়টা তুমি চিনে নাও নি।”
এর পরে যীশু উপাসনা-ঘরে ঢুকে ব্যবসায়ীদের তাড়িয়ে দিলেন।
তিনি সেই ব্যবসায়ীদের বললেন, “পবিত্র শাস্ত্রে লেখা আছে, ‘আমার ঘর প্রার্থনার ঘর হবে,’ কিন্তু তোমরা তা ডাকাতের আড্ডাখানা করে তুলেছ।”
যীশু প্রত্যেক দিনই উপাসনা-ঘরে গিয়ে শিক্ষা দিতে লাগলেন। প্রধান পুরোহিতেরা, ধর্ম-শিক্ষকেরা এবং লোকদের নেতারা তাঁকে মেরে ফেলতে চাইলেন,
কিন্তু কিভাবে তা করবেন তার কোন উপায় তাঁরা খুঁজে পেলেন না, কারণ লোকেরা মন দিয়ে তাঁর প্রত্যেকটি কথা শুনত। 

[লূক ১৯:২৮-৪৮]
বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট চার্চের সানডে লেকচার
২৪ মার্চ ২০১৩
স্পিকার: রেভারেন্ড জেমস অজিত কর্মকার
পরিচালক 
বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট চার্চ

 

0 Comments: