কেমন হবে প্রিজম প্রোগ্রাম? (PRISM- surveillance program)

প্রিজম প্রোগ্রাম হবে উইকিপিডিয়া প্রকল্পের মত এক ধরনের এনসাইক্লোপিডিয়া জায়ান্ট যা হবে ইমেইল, স্যোসাল নেটওয়ার্র্কিং (যেমন:ফেসবুক) এবং অনলাইন কনভার্সেসনের (যেমন:চ্যাট) এক বিরাট সংগ্রহশালা যা সম্পন্ন করার দায়িত্ব নিয়েছে যুক্তরাষ্টের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সী। প্রিজম প্রোগ্রামটা হচ্ছে একধরনের অবিশ্বাস্য ব্যাপার স্যাপার এবং সেই সাথে ভয়াবহও বটে। 
প্রিজম প্রোগ্রামের ব্যাপারে মুল তথ্যটা এরকম: 
PRISM Program outline and methodology: Barack Obama obtained permission from the Cabinet, United States Military Forces and Espionage Agencies like Central Intelligence Agency and Federal Bureau of Investigation, via The Divisions of Public Safety (DPS), to start the PRISM (surveillance program). Prism will be the one kinds of Encyclopedia as Wikipedia is a collaboratively edited, multilingual, free Internet encyclopedia supported by the non-profit Wikimedia Foundation but Prism is collective encyclopedia of email data, facebook information, image that supported by The National Security Agency (NSA)to direct access to the systems of Google, Facebook, Apple and other US internet giants.PRISM Program outline and methodology: Barack Obama obtained permission from the Cabinet, United States Military Forces and Espionage Agencies like Central Intelligence Agency and Federal Bureau of Investigation, via The Divisions of Public Safety (DPS), to start the PRISM (surveillance program). Prism will be the one kinds of Encyclopedia as Wikipedia is a collaboratively edited, multilingual, free Internet encyclopedia supported by the non-profit Wikimedia Foundation but Prism is collective encyclopedia of email data, facebook information, image that supported by The National Security Agency (NSA) to direct access to the systems of Google, Facebook, Apple and other US internet giants. 
 দ্বিতীয় পর্যায়ে এই প্রকল্পের আছে একটি ডিভাইস তৈরীর পরিকল্পনা যার নাম ধরা হয়েছে প্রিজম কারন ডিভাইসটি দেখতে হবে প্রিজম আকৃতির। এই পরিকল্পনাটা শুনতে একটু সায়েন্স ফিকশনের গল্পের মত। আমরা যে কথা বলি সেইসব কথা মহাবিশ্ব থেকে হারিয়ে যায় না। সেই কথার ফ্রিকোয়েন্সি দিন দিন কমে যায় তাই সেটা আমাদের শ্রব্যসীমার বাইরে আমরা সেটা শুনতে পাই না কিন্তু মহাবিশ্বে সেটার অস্তিত্ব আছে। প্রিজম নামের একটি ডিভাইস নিয়ে গবেষনা হচ্ছে যা হারিয়ে যাওয়া ওইসব কথাগুলিকে ফিরিয়ে আনবে রেকর্ড করবে। বলা হচ্ছে শুধু কথা ফিরিয়ে আনবে না সেই সাথে সেই ঘটনার ভিডিও চিত্রটিও ধরতে সক্ষম হবে প্রিজম নামের ডিভাইসটি। এমন একটি ডিভাইস নিয়েও গবেষনা চলছে PRISM (surveillance program) এর অধীনে। 
প্রিজম প্রকল্প হচ্ছে যুক্তরাষ্টে চলমান প্রকল্পগুলির মধ্যে সবোচ্র্চ গোপনীয় প্রকল্পের একটি। ধারনা করা হচ্ছে এই প্রকল্পের ভয়াবহতা প্রজেক্ট ক্যামলটকেও (Project Camelot) ছাড়িয়ে যাবে, উল্লেখ্য প্রজেক্ট ক্যামলট শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস শুনানীর মাধ্যমে বন্ধ হয়ে যায় কারন এই প্রজেক্টের কিছুদিন পরে কেউ আর এর পক্ষে ছিলেন না, এমনকি প্রকল্পের অনেক কর্মীও বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। যাইহোক এখন দেখার বিষয় প্রিজম প্রকল্প কতশত মানুষের প্রান কেড়ে নেয়, কত ধ্বংসযঞ্জ ঘটায়। এককথায় রক্তের দামে কেনা হচ্ছে এই প্রকল্পটি। শেষ পর্যন্ত এমনটা না হয় যে আইজ্যাক আসিমভের ফাউন্ডেশন সিরিজের নায়ক হ্যারি সেলডনকে যেমন রেভন স্যালডন ডাকা হত-বলা হত ধ্বংসের বার্তাবাহক, বারাক ওবামার বেলায়ও যেন তেমনটি না ঘটে। 

Comments