300x250 AD TOP

Blog Archive

Powered by Blogger.

Monday

Tagged under: , , , , ,

কোহেকাফ নগরঃ টু দ্যা এম্পায়ার (২৩ - ২৬) টু দ্যা এম্পায়ার এর শেষ কিস্তি


২৩: 
সমসাময়িক সময়ে হিথ প্লানেট কিংডমের আরো একজন পদার্থবিদ আর. ওয়েন ফুলওয়াকান যিনি মুলত দার্শনিক ও সমাজ বিজ্ঞানী হিসেবে এম্পায়ারে পরিচিতি পেয়েছিলেন। তিনি ছিলেন হিমেনোডাইন রোবট।

আর ফর রোবট।
অনেকটা নিভৃতে ও কোন প্রকার পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই একাএকা তার রেংকিজম থিওরী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছিলেন। যদিও আপাতদৃষ্টিতে এই থিওরীর তেমন গ্রহন যোগ্যতা ও কার্যকারীতা ছিল না কিন্ত তার এই থিওরী এম্পায়ারের কিছু নিষ্ঠাবান কর্মকর্তাকে আকৃষ্ট করেছিল। যার ফলশ্রুতিতে সায়নীকে সম্রাট পর্যন্ত পৌছে দেয়া সম্ভব হয়েছিল বলে অনেকে মনে করে।
এম্পায়ারের দীর্ঘ দশহাজার বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোন রোবটের নাম সম্মানের যুক্ত হলো। অনেকে ধারনা করে থাকেন আর. ফুলওয়াকানের সাথে সায়নীর দেখা হয়েছিল এবং তিনি বেশ ভালভাবে সায়নীর সব খুটিনাটি সম্পর্কে অবগত ছিলেন। আর.ফুলওয়াকান সারা জীবন কথা বলেছেন রোবটদের পক্ষে যে তাদের হিউম্যান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হোক। তার আর একটি থিওরী ছিল "ডিগনিটি থিওরী" যেখানা বলা হয়েছে; আমরা সবাই হিউম্যান কিন্তু জন্ম প্রক্রিয়ার পার্থক্যের জন্য হোমো স্যাপিয়েন্স বা ম্যান এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্ট বা রোবট হিসেবে পরিচিত।
তার ডিগনিটি থিওরীতে বলা হয়েছে যে; সব হিউম্যান সমান ভাবে সৃষ্টি হয়েছে সুতরাং সবারই সম্মান ও যোগ্য পদমর্যাদা পাবার অধিকার আছে।

২৪: 
ড. লা ভ্যান মো। জম্ন ক্যাপিটাল প্লানেটের বিশতম কনস্যুলেট সেক্টরে। এই ঘটনা যে সময়ের তখন ড. লা ভ্যান এক পারিবারিক ভ্রমনে হিথ কিংডমে যান। সংগে ছিল তার স্ত্রী,পরিবার আর দীর্ঘ দিনের রোবট ডাচেসগ্রান্ড তার বন্ধুর মত,ভালবেসে ডাকতেন ডি.গ্রান্ড।
হিথ প্লানেটে গ্রান্ড থেকে যান ও নতুন নাম ধারন করেন আর. ওয়েন ফুলওয়াকান। মো সাহেবের সহযোগিতায় সে একটি কমিউনিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার সুযোগ পায় এবং তার উদ্ভাবিত থিওরীগুলো নিয়ে কাজ করার যথেষ্ট সময়,সুযোগ পায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল ও কমিউনিটি সংবাদ মাধ্যমগুলিতে তার গবেষনা পত্র ও অন্যন্য লেখা প্রকাশিত হতো। যদিও তার পাঠক সংখ্যা ছিল খুব সামান্য এবং কেউ সেসব শুনতেও চাইতো না তবুও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেগুলি প্রকাশ করতো কারন এম্পায়ারের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাতে গোনা অল্পকিছু কর্মকর্তা তার প্রকাশিত লেখা চেয়ে মাঝে মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ে লিখত বিনিময়ে হিথগামী কোন নভোযানে তারা তাদের সামর্থমত কিছু উপহার বা ক্রেডিট পাঠাতো। সেসব উপহার আর ক্রেডিটের পরিমান দেখে বোঝা যেত যে তারা খুব ধনী ব্যাক্তি নন। সেই উপহারের মধ্যে কখনো থাকতো বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবহারের জন্য নতুন বা ভিন্নকোন প্রযুক্তি পন্য, কিছু বই, শিক্ষকদের জন্য পোশাক বা ব্যবহার্য কোন ম্যাটেরিয়ালস এবং বিশ,ত্রিশ থেকে একহাজার ইম্পেরিয়াল ক্রেডিট। 

২৫: 
এম্পায়ারে জম্নেছিলেন এমন একজন বিজ্ঞানী যার আবিস্কার এম্পায়ারকে সুদৃঢ় করেছে লক্ষ লক্ষ বছরের জন্য।
ভ্লামির লয়েড, এম্পায়ারের সবশেষ ও দশহাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে মেধাবী প্রেসিডেন্ট। তাকে সর্বশেষ প্রেসিডেন্টও বলা হয় কারন তার পরে এম্পায়ার বা সম্রাট অন্য কোন প্রসিডেন্ট নিয়োগ দেন নি,আর কখনো দেয়া হবে না। তার সম্মানার্থে এই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এম্পায়ের প্রসাশনিক কাঠামোতে সম্রাটের পরেই প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট সম্রাটের বিশেষ ক্ষমতাবান দূত ও বার্তাবাহক। এম্পায়ারে তিনিই একমাত্র ব্যাক্তি যে কোন স্থানে যেতে পারেন ও তার প্রবেশাধিকার আছে,এমন কি যে সব স্থানের তথ্য সম্রাটের ইম্পেরিয়াল নেভী,আর্মি কিংবা আইজিজিআইদের কাছে পর্যন্ত নেই।
তিনি আইজিজিআইতে কর্নেল হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ও পরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান। এবং প্রেসিডেন্টশিপ সময়ে তার আসাধারন বিজ্ঞানী প্রতিভার উম্নেষ ঘটে। তার আবিস্কৃত "হিউম্যান ব্রেইন কমিউনিকেশন সার্কিট" এবং "বায়োলজিক্যাল ট্রান্সরিসিভার সিস্টেম" এম্পায়ারের রাজনীতিকে চিরদিনের জন্য বদলে দেয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এম্পায়ারে সম্রাট বিরোধীদের সম্রাটের বন্ধু বা অনুগত বানানো হতো।
এটাকে বলা হয় "ভ্লামির টেকনোলজি" যা সম্রাট হতে বিপথগামী ব্যাক্তিদের সম্রাটের পথে ফিরিয়ে আনত। 

২৬: 
অবশেষ বৃদ্ধ অস্টারফি লুপাস সেলান এম্পায়ারের ক্যাপিটালে আসল। সম্রাট ইকরা কান জানতে চাইলেন বিগত কয়েকশ বছর বিশেষ করে তার জীবদ্দশায় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলির ব্যাখ্যা সম্পর্কে।
অস্টারফি বললেনঃ এই এম্পায়ার মুলত একটি ডিভাইন এলায়েন্স। ইন্টারস্টেলার ডিভাইন এলায়েন্স অফ ওমেগা সেঞ্চুরী এম্পায়ার। মহাবিশ্বগুলির সবচেয়ে মেধাবী বিজ্ঞানীরা মিলে এই বিশ্ব ভ্রক্ষ্মান্ডে এমন দুটি ডিভাইন এলায়েন্সের অস্তিত্ব খুজে পেয়েছেন। অন্যটিও একটি এম্পায়ার তবে সেই এম্পায়ারটি ওমেগা সেঞ্চুরী এম্পায়ারের চেয়ে বড়। সেটি একটি ইউনিভার্স জুড়েই একটি এম্পায়ার, এম্পায়ার আলফা।
শুধু মাত্র এই দুটি এম্পায়ারেই এমনসব অদ্ভুদ ঘটনা ঘটে চলেছে যা কোন জ্ঞান-বিজ্ঞান দিয়ে বোঝা ও প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না,আর এটা সম্পুর্ন মানুষের নিয়ন্ত্রের বাইরে।
সম্রাট বললেনঃ মহাবিশ্বগুলিতে তাহলে কি সবার উপরে ক্ষমতাবান আরো কেউ একজন আছে? কিংবা কোন স্পিরিট?
অস্টারফি বললেনঃ আমি জানি না সায়ার! সারা জীবন এম্পায়ারের জন্য কাজ করে আমি ক্লান্ত সায়ার! এবার আমাকে ছুটি দিন। কত দিন,মাস,বছর আমি স্ত্রীর ভালবাসা পাই নি,পাই নি সন্তানের ভালবাসা। আমার ভালবাসার জম্নভুমি এন্ড্রোমিডাতে পা রাখি না কতদিন! আমি সেসব ফিরে পেতে চাই না তবে অবশিষ্ট সময়গুলি আমি চেয়ে নিচ্ছি সায়ার। আমাকে ছুটি দিন।
সম্রাট তাকে অবসর দিলেন। 

গল্পঃ "টু দ্যা এম্পায়ার" [Story: Two DA Empire (D.A. Series)] শেষ

গল্পঃ টু দ্যা অডাসিটি (Story: Two DA Audacity) 
১: 
সত্তর লক্ষ বিলিয়ন নক্ষত্ররাজি আর তাদের পরিভ্রমনরত গ্রহ,উপগ্রহ নিয়ে গঠিত মহাবিশ্বগুলির সেন্টিয়েন্ট সিভিলাইজেন হিস্টোরির সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী কালেকটিভ সিস্টেম আলফা অডাসিটি!
এখানে নেই কোন প্রযুক্তি বিজ্ঞান কিন্তু আছে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান। হিউম্যান মেন্টালিক মান অনুযায়ী আলফা অডাসিটির শাসককে বলা হয়; দ্যা অডিটর। তার আইন বা নির্দশনাকে বলা হয় অর্ডার।
অডিটর বিরাক বেথ দ্বিতীয়। তাকে বিশেষ কোন বিশেষনে ডাকতে হয় না। আডিটর,এমন কি নাম ধরেও ডাকতে পারে যে কেউ।
চীফ সায়েন্টিস্ট বললেনঃ অডিটর, সমস্ত সৃষ্টি জগতের মাঝে আমরা এমন দুটি অডাসিটি খুজে পেয়েছি। আমরা এই দুটির ক্যাটাগরি করেছি ডিভাইন এলায়েন্স। অন্যটি অবশ্য বেশ ছোট,নাম ওমেগা সেঞ্চুরী অডাসিটি। সেখানকার লোকজন অবশ্য 'ওমেগা সেঞ্চুরী এম্পায়ার' টার্ম ব্যবহার করে থাকে। এই দুটি অডাসিটি বা এম্পায়ার ব্যতিক্রম।
চীফ আর্কিওলজিস্ট বলেলনঃ আমার জন্মের আগে অর্থাত অডাসিটির বিগত এক হাজার বছর আগের ইতিহাসে এমনসব ঘটনার অস্থিত্ব পাওয়া যায় না। এই ঘটনাগুলি একহাজার বছর পুর্বে শুরু হয়েছে।
তাকে সমর্থন করে আশি হাজার বছর বয়সী হাই এলডার বললেনঃ অডিটর, ঠিক তাই। কিন্তু এই মহাবিশ্ব তথা আলফা অডাসিটির কোন কিছুই তো আমাদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে ছিল না। এমন কি কোন বৃক্ষে ফুল ফোটাতাম আমরাই।
গভীরভাবে কিছু ভাবছেন অডিটর। 

{চলবে} ......... 

“কোহেকাফ নগর ডিভাইন এলায়েন্স সিরিজ” লেখকঃ ড. রাইখ হাতাশি।
“AudaCity Divine Alliance Series” by Dr. Raych Hatashe

0 Comments: